ক্রিকেটাররা বেঁচে যাওয়ায় আল্লার কাছে শুকরিয়া প্রধানমন্ত্রীর

শনিবার, ১৬ মার্চ ২০১৯ | ৪:০২ অপরাহ্ণ | 205 বার

ক্রিকেটাররা বেঁচে যাওয়ায় আল্লার কাছে শুকরিয়া প্রধানমন্ত্রীর

নিউজিল্যান্ডে সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সন্ত্রাসীর কোনো পরিচয় নেই –বিশ্বের কোথাও এ ধরনের হামলা কাম্য নয় বলেন তিনি। শনিবার সকালে গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতু, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতায় চার লেন ফ্লাইওভার এবং লতিফপুর রেলওয়ে ওভারপাস উদ্বোধন করে এ কথা বলেন তিনি।

গতকাল নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় হতাহতদের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনার পাশাপাশি এ ঘটনায় বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা বেঁচে যাওয়ায় আল্লার কাছে শুকরিয়া জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে শুকরিয়া জানাই সেখানে আমাদের ক্রিকেটাররা নামাজ পড়তে গিয়েছিল সেখানে, একজন আহত নারী তাদের মসজিদে যেতে মানা করেছিল। এভাবেই তাদের জীবন বেঁচে যায়।

আগামীতে নিরাপত্তার বিষয়টি ভালোভাবে যাচাই করে ক্রিকেট টিম পাঠানোর কথা জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে যারাই খেলতে আসে তাদের আমরা সবসময় যথাযথভাবে নিরাপত্তা দিয়ে থাকি— এটা আমরা সবসময় করি। সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদী ঘটনার শুধু নিন্দা না করে এ ধরনের ঘটনা বন্ধে ব্যবস্থা নিতে বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববাসী এই ধরনের ঘটনার শুধু নিন্দাই নয়, এই ধরনের সন্ত্রাসী, জঙ্গিবাদী ঘটনা যেন বন্ধ হয় সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে।

নিউজিল্যান্ডে মসজিদে প্রার্থনারত মুসল্লিদের ওপর হামলার ঘটনাকে ঘৃণ্য সন্ত্রাসী, জঙ্গিবাদী ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঘৃণ্য ঘটনা, এটা সন্ত্রাসী, জঙ্গিবাদী ঘটনা। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। যেভাবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ঢুকে যখন মানুষ সেখানে নামাজ আদায়রত অবস্থায়, তাদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এর চেয়ে জঘন্য কাজ, ঘৃণ্য কাজ হতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা জঙ্গি, যারা সন্ত্রাসী তাদের কোনো ধর্ম নেই, তাদের কোনো দেশ নেই, জাতিও নেই। তারা সন্ত্রাসী। এদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

বাংলাদেশকে জঙ্গিমুক্ত করার কথা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, অনেক কষ্ট করে আমরা আমাদের দেশকে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস থেকে রক্ষা করতে পেরেছি। জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস মানুষের কোনো মঙ্গল করতে পারে না, অমঙ্গল ছাড়া। বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা, এটা সব মানুষের স্বাধীনতা। আমাদের দেশে আমরা তা রক্ষা করতে পেরেছি- যে যার যার ধর্ম সে স্বাধীনভাবে পালন করে সেই সুযোগটা আমরা করে দিয়েছি।

Development by: visionbd24.com